আমফানের তাণ্ডবকে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণার দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে ২২টি বিরোধী দলও কেন্দ্রের কাছে একই দাবি জানিয়েছে। তারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণের দাবিও করেছে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গৃহীত একটি প্রস্তাবে তারা বলেছে, পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশার পাশে রয়েছে তারা। বিধ্বংসী আমফানের মোকাবিলায় সরকার ও জনগণের পাশে থাকবে তারা। করোনার প্রচণ্ড মারের পর আমফান কার্যত ধ্বংস করে দিয়েছে রাজ্য দুটিকে। সোনিয়া গান্ধির ডাকা এই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও ছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া। তবে ছিলেন না বহুজন সমাজ পার্টি, সমাজবাদী পার্টি ও আম আদমির কোনও প্রতিনিধি।তৃণমূল ছাড়াও ছিলেন এনসিপি, ডিএমকে, বাম দলগুলির নেতারা। বিরোধী দলগুলির এই বৈঠকে সোনিয়া করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রের চূড়ান্ত ব্যর্থতার সমালোচনা করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রতি কেন্দ্রের বিন্দুমাত্র আস্থা নেই। গণতান্ত্রিক হওয়ার অছিলায় কেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্রী. রাতিনীতি ক্রমাগত লঙ্ঘন করে চলেছে। লকডাউন নিয়ে পুরোপুরি বিভ্রান্ত সরকার। পরিযায়ী শ্রমিকদের ১৩ কোটি পরিবারের কথা সরকার ভুলেই গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ২০ লাখ কোটির প্যাকেজ নিষ্ঠুর রসিকতা।