ই এম বাইপাসের ধারে একটি গাড়ির ওয়ার্কশপে ভয়াবহ আগুন। ঘটনাস্থলে দমকলের দশটি ইঞ্জিন কাজ করছে। যদিও আগুন এখন নিয়ন্ত্রনে বলেই জানিয়েছেন দমকলের আধিকারিকরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুকুন্দপুরের ওই গাড়ির ওয়ার্কশপে যখন জোরকদমে কাজ চলছিল। দুপুর পৌনে তিনটে নাগাদ হঠাৎই আগুন লেগে যায় সেখানে। সেখানে প্রচুর পরিমান দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় মুহূর্তে আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। খবর পেয়ে প্রথমে দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন যায়। পরে পরিস্থিতি বুঝে আরও তিনটি ইঞ্জিন পাঠানো হয়। প্রায় ঘন্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসেন দমকলকর্মীরা। ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ও যাদবপুরের সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। তৃণমূল সাংসদ বলেন, এই ওয়ার্কশপের পাশেই কালিকাপুরের কিসান মার্কেট থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল। তবে কারখানার কর্মী ও দমকলের চেষ্টায় আগুন ছড়িয়ে পড়েনি। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুও পুড়ে যাওয়া ওই গাড়ির ওয়ার্কশপে যান। তিনি বলেন, ওয়ার্কশপে পেট্রোল, ডিজেল এবং মোবিলের মতো দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে যায়। আমরা জলের সঙ্গে ফোমও ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছি। ওয়ার্কশপের ভিতরে অনেকগুলি গাড়ি পুড়ে গিয়েছে। কীভাবে আগুন লাগল সেটা জানতে ফরেন্সিক পরীক্ষা হবে বলেও জানিয়েছেন দমকলমন্ত্রী। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে ৩০ কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে আগুন লাগার ফলে।