মুখের সৌন্দর্যের একটি অন‌্যতম আমাদের চোখ। যার যত চোখ পটলচেরা, সে ততই সুন্দর। তবে মায়াবী নয়নের চারধারে কারও যদি কালো দাগ পড়ে সেটা খুবই অনভিপ্রেত। এই সমস‌্যা এখন খুব অল্প বয়সেই দেখা দিচ্ছে। আর বয়স বাড়লে তো কথাই নেই। জীবনের চাপে চোখের ধারে ডার্ক সার্কল ক্রমশই ডার্ক হতে থাকে। আসুন দেখে কিভাবে আমরা ঘরে বসেই প্রাকৃতিক উপায়ে চোখের নিচের কালি দূর করতে পারি ।

সতেজ শসা স্লাইস করে কেটে আধ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করুন। দশ মিনিট চোখের উপর রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দিনে অন্তত দুবার, একটানা সাতদিন। আবার শসা আর লেবুর রস সমান পরিমাণ মিশিয়ে মাখতে পারেন ত্বকে। দিনে একবার করে সাত দিন মাখুন। স্বাভাবিক রং ফিরে আসবে।

কাঁচা আলু ঠাণ্ডা করে ব্লেন্ডারে পিষে পেস্ট তৈরি করুন। পেস্ট দাগের উপর মেখে ১০-১৫ মিনিট পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আলু পেস্ট করতে ঝামেলা মনে হলে শসার মত স্লাইস করেও ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহ জুড়ে দিনে ১-২ বার ব্যবহার করলেই চলবে।

প্রাকৃতিক ভাবেই গোলাপ জল স্কিন টোনার হিসেবে কাজ করে। ছোট্ট পরিষ্কার কাপড়ের টুকরা বা আই প্যাড গোলাপ জলে ভিজিয়ে রাখুন কয়েক মিনিট। পুরো ভিজলে চোখ বন্ধ করে চোখের পাতার উপর রেখে দিন ১০-১৫ মিনিট। দিনে একবার করে ৭-১০ দিন ব্যবহার করলে চোখের স্বাভাবিক রং ফেরত আসবে।

টমেটো চোখের নীচের কালো দাগ দূর করতে অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এর সাথে সাথে আপনার ত্বককে করবে কোমল লাবন্যময়। ১ চা চামচ টমেটোর রস, ১ চাচামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি চোখের নীচে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

চায়ের ব্যাগ দিয়ে ও চোখের নীচে কালি দূর করা সম্ভব। সবুজ বা কালো চায়ের ব্যাগ ঠান্ডা করে নিন। আপনার চোখের ওপর ঠান্ডা চায়ের ব্যাগটি রাখুন। ১০/ ১৫ মিনিট পর চায়ের ব্যাগ সরিয়ে ফেলুন। দিনে ২/৩ বার করার চেষ্টা করুন।

প্রতিদিন ঠান্ডা দুধ ব্যবহারে আপানার চোখের নীচের কালো দাগ দূর করে থাকে। তুলার বল ঠাণ্ডা দুধে ভিজিয়ে নিন। ভেজা তুলোর বল আপনার চোখে ওপর রাখুন। ১০/১৫ মিনিট পর তুলো সরিয়ে নিন। এরপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন করাতে আপানার চোখের নীচের কালির দাগ করবে।