সরকার আইসোলেশনের জায়গা রেখে দিয়েছে। সরকারই অ্যাম্বুলেন্স দেবে। বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ২৮টা বেডের জায়গায় ১০০টা বেড রাখা হচ্ছে। বাঙুর হাসপাতালে ১৫০টা বেড করা হচ্ছে। পজিটিভরা সব জায়গাতেই থাকবেন। আর জি করেও ৫০টা বেড করা হচ্ছে। রাজারহাটের ক্যান্সার সেন্টারেও ৫০০ বেড তৈরি করা হয়েছে। ডুমুরজোলায় করা হবে। ৩০০ ভেন্টিলেটর মেশিনের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। জ্বর নিয়ে আসা রোগীজের শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। ১০ হাজার থার্মাল গানের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। আরও ১০ হাজারের অর্ডার দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার নবান্নে সরকারি, বেসরকারি হাসপাতালের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ১০টা একমো মেশিনের অর্ডারও দেওয়া হয়েছে। এটা করোনা নিরাময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বেসরকারি হাসপাতালে সরকার ১০০টা মাস্ক ও ১০০টা পিপিই পোষাক দেবে। ওপিডিতে আলাদা কাউন্টার করা উচিত। পুলিশ গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। মমতা বলেন, লোকে জিনিস মজুত করছে। এটাও পুলিশকে দেখতে হবে। বাজার দোকান সব খোলা থাকবে। মিড ডে মিল বাড়িতে পাঠানো হবে। আইসিডিএস, আশাকর্মীদের আরও বেশি করে কাজে নামতে হবে। তাঁর আবেদন, সরকারের মেডিকেল তহবিলে কর্পোরেটরাও দান করুন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি খুবই গুরুতর। এখন সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে। আপনাদের অনেক প্যাথলজিকাল ল্যাবরেটরির পরিকাঠামো রয়েছে। আপনাদের সঙ্গে যেন ভুল বোঝাবুঝি না হয়। কেন্দ্রের গাইডলাইন আপনাদের দেব। মেনে চলবেন। আপনারা একটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করুন। সেখানে স্বাস্থ্যসচিব বিবেক কুমারও থাকবেন। এটা রাগারাগির সময় নয়।