সাহস থাকলে প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্ববিদ্যলয়ের পড়ুয়াদের সামনে গিয়ে অর্থনীতি কেন বিপর্যস্ত তা নিয়ে কথা বলার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধি। পুলিশ পাহারা ছাড়া তিনি যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারেন। মোদি যুবকদের সমস্যা সমাধানের বদলে দেশবাসীকে ভাগ করায় ব্যস্ত। সোমবার সোনিয়া গান্ধির ডাকা বিরোধীদের বৈঠকে ঠিক হয়েছে, ২৩, ২৬ ও ৩০ জানুয়ারি দেশজুড়ে বিরোধীরা সংবিধান বাঁচাওয়ের ডাক দিয়ে নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা করা হবে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন, জাতীয় পরিস্থিতি নিয়ে এদিনের বৈঠকে সোমবার যোগ দিয়েছে ২০টি দল। বৈঠকে সোনিয়া বলেন, মোদি-শাহ জুটির দেশ চালানোর অক্ষমতা প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। দুজন পরস্পরবিরোধী কথা বলছেন। সারা দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব তৈরি করেছে বিজেপি সরকার। উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লির পুলিশের ভূমিকা জঘন্য।
বৈঠকে ছিল না তৃণমূল, বিএসপি, এসপি, ডিএমকে, আপ, শিবসেনা। মায়াবতী জানান, রাজস্থানের সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন করার পরেও বিএসপির বিধায়কদের লোভ দেখিয়ে দলে টেনেছে কংগ্রেস। এই অবস্থায় বৈঠকে গেলে কর্মীদের কাছে ভুল বার্তা যেত। এর আগে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে বিরোধীদের যে প্রতিনিধিদল গিয়েছিল, তাতেও ছিল না মায়াবতীর বিএসপি। বনধের দিন বাম ও কংগ্রেসের সমর্থকদের ভাঙচুর ও তাণ্ডবের প্রতিবাদে দিল্লি না যাওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এদিন সবথেকে বিস্মিত করেছে ডিএমকের অনুপস্থিতি। তারা তামিলনাড়ুতে এআইডিএমকে সরকারকে কেন্দ্রের আইনের বিরুদ্ধে যেতে চাপ দিয়ে চলেছে। আসেনি সমাজবাদীর পার্টির কেউই। শিবসেনা এবং আপও অনুপস্থিত ছিল। আপের সঞ্জয় সিং জানিয়েছেন, তাদের ডাকাই হয়নি। শিবসেনা এদিনই জানিয়েছে, মহারাষ্ট্রে নয়া আইন চালু হবে না। যোগাযোগের ভুলেই তারা এদিনের বৈঠকে যায়নি। বৈঠকের জবাবে বিজেপির তরফ থেকে বলা হয়েছে, পৃথিবীর কোনও শক্তি এই আইনকে আটকাতে পারবে না।