১১১তম আত্মবলিদান দিবসে অবহেলিত শহীদ ক্ষুদিরাম

0
247

হাসি হাসি চড়বো ফাঁসি দেখবে ভারতবাসী। হ্যাঁ, তিনি হাসিমুখেই মাত্র ১৮ বছর ৭ মাস ও ১১ দিন বয়সেই হাসিমুখে ফাঁসির দড়ি গলায় পড়েছিলেন। দেশের জন্য সর্বকনিষ্ঠ ও প্রথম ফাঁসিকাঠে আত্মবলিদান দেওয়া তরুণ ক্ষুদিরাম বসুর আজ ১১১ তম মৃত্যু দিবস। অথচ আজ তিনি অবহেলিত এবং বিস্মৃত। তাঁর আবক্ষ মূর্তি আজ পরিস্কার করা তো দূর, একটি মালা পর্যন্ত দেওয়ার কথা কেউ মনে করেননি। উত্তর ২৪ পরগণার জেলা সদর বারাসত, জেলাশাসকের দফতর থেকে শুরু করে সমস্ত সরকারি অফিসই এখানে রয়েছে। আর সেই এলাকার খুব কাছেই বারাসত গভর্মেন্ট কলেজের মূল গেটের পাশেই রয়েছে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রথম শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর একটি আবক্ষ মূর্তি রয়েছে। পাখির বিষ্ঠা ও পানের পিকে সজ্জিত সেই মূর্তি যেন পথ চলতি মানুষদের পরিহাসের চোখে দেখলো রবিবার দিনভর। সকাল থেকেই সেখান থেকে অসংখ্য মানুষ চলাচল করেছেন এই রাস্তা দিয়ে। কলেজ কর্তৃপক্ষও কোনও অনুষ্ঠানের আয়োজন করেনি। তবে পথ চলতি কয়েকজন মানুষের গলায় শোনা গেল আক্ষেপ। ভারতের সর্বকনিষ্ঠ এই বীর বিপ্লবীর আত্মবলিদান কী বিফলে যেতে বসেছে? প্রশ্নটা সহজ কিন্তু উত্তরটা অজানা।