স্কুল চলাকালীনই প্রায় পাঁচফুট লম্বা একটি বিষধর গোখড়ো সাপ ঢুকে পড়ল স্কুলে। ফলে তীব্র আতঙ্ক ছড়াল নামখানা ব্লকের বকখালি নারায়নীতলা ধনেশ্বর শিক্ষিসদন স্কুলে। বন দফতরকে বারবার ফোন করা সত্বেও পরিকাঠামোর অভাব দেখিয়ে তাঁদের কেউ আসেনি বলে অভিযোগ। অগত্যা অরুপ কুমার পাত্র নামে এক শিক্ষকই খালি হাতে প্রানের ঝুঁকি নিয়েই সাপটিকে ধরে ফেলেন। অত্যন্ত বিষধর এই প্রজাতির সাপটিকে দেখতে ভির জমে যায় ওই স্কুল চত্বরে। প্রায় ২২০০ ছাত্র পড়াশোনা করে ওই স্কুলে, যদি কোনওভাবে সাপটি কাউকে ছোবল মারতো তবে মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটতে পারতো বলে মনে করছেন ওই শিক্ষক। এরপর বন দফতরের থেকে সারা না পেয়ে মোটর সাইকেলের পিছনে চেপেই ওই শিক্ষক বন দফতরের বকখালি রেঞ্জ অফিসে হাজির হন। অভিযোগ এরপরও তাঁরা ওই সাপটি নিতে অস্বীকার করেন। এরপর স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভ বুঝে বন দফতরের কর্মীরা একটি ময়লা ফেলার ড্রামে সাপটিকে রেখে দেন। প্রানের ঝুঁকি নিয়ে সুন্দরবন এলাকায় বিরল এই গোখড়ো সাপটিকে এভাবে ড্রামে রাখায় ক্ষুব্ধ ওই শিক্ষক। তাঁর কথায়, এতে সাপটির জীবন সংশয় হতে পারে। যদিও প্রশ্ন উঠছে বকখালি রেঞ্জের আধিকারিকদের কর্তব্যে অবহেলায় যদি কোনও ছাত্রের মৃত্যু হত তবে তার দায় কে নিত? স্কুল থেকে বারবার ফোন করা সত্বেও তাঁদের কেউ সেখানে যায়নি কেন? এব্যপারে বন বিভাগের কারোর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।