একে লক ডাউন। তার উপর হাজির ২২টি হাতির দল। করোনা আতঙ্ক আর হাতির আতঙ্ক মিলেমিশে এখন দিশেহারা অবস্থা বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের। জমিতে থাকা গ্রীষ্মকালীন সবজির ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা । তবে গতকালই বনদফতর হাতি খেদানোর কাজ শুরু করেছে। বাঁকুড়ার সবজি উৎপাদক অঞ্চলগুলির মধ্যে অন্যতম বিষ্ণুপুর ও জয়পুর । এই ব্লকগুলির ধবাপুকুর , কুড়িগ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকায় এখন মাঠ জুড়ে রয়েছে করোলা, বিন, ঝিঙে, ঢ্যাঁড়স সহ বিভিন্ন ধরনের গ্রীষ্মকালীন সবজি। লকডাউনের জেরে যথেষ্ট পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় এমনিতেই এবার মার খেতে হচ্ছে সবজি চাষিদের। বহু ফসল বাজারজাত করতে না পারায় মাঠেই পড়ে নষ্ট হচ্ছে। এরই মাঝে গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো হাজির হয়েছে ২২টি দাঁতালের একটি দল। লকডাউনের জেরে মানুষ গৃহবন্দি। সেই সুযোগে বাসুদেবপুরের জঙ্গল ও জঙ্গল লাগোয়া এলাকাগুলিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হাতির দলটি। ইতিমধ্যেই স্থানীয় নতুনগ্রাম, বাকাদহ, বিষ্ণুপুর ও বাসুদেবপুর এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে হাতির দলটি । অবিলম্বে হাতির দলটিকে এলাকা থেকে তাড়াতে না পারলে প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে ফসলের ক্ষতি, আশঙ্কা কৃষকদের । বনদফতর অবশ্য দাবি করেছে ইতিমধ্যেই হাতিগুলিকে ফের পশ্চিম মেদিনীপুরের সীমানা অবধি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে । কড়া নজর রাখা হচ্ছে হাতির দলের গতিবিধির উপরেও ।