নিহত হওয়ার ৪৫ বছর পর গ্রেফতার হল শেখ মুজিবর রহমানের এক খুনি। সোমবার রাত তিনটেয় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদ ঢাকার মিরপুর থেকে গ্রেফতার হয়েছে। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার খুনি ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ গ্রেফতার হয়েছে। সোমবার ভোর সাড়ে তিনটায় মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘানমন্ডিতে নিজের বাড়িতে খুন হয়েছিলেন মুজিবর। পলাতক ছয় স্বষোষিত খুনিদের মধ্যে মাজেদ অন্যতম। পলাতক বাকি পাঁচ খুনি হল আব্দুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, এম রাশেদ চৌধুরী, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী ও রিসালদার মোসলেমউদ্দিন। মুজিবের হত্যার ৩৪ বছর পর এ হত্যাকাণ্ডের বিচার শেষ হয়েছে ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর। দীর্ঘ বারোবছরে নিম্ন আদালত পেরিয়ে শীর্ষ আদালত এই খুনিদের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ আসামির মধ্যে কারাবন্দি পাঁচ আসামির ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি ফাঁসি কার্যকর হয়। তারা হল সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, মুহিউদ্দিন আহমেদ, বজলুল হুদা ও এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য পাঁচ আসামি এখনও পলাতক। তারা হল, খোন্দকার আবদুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, এ এম রাশেদ চৌধুরী, এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী ও মোসলেমউদ্দিন। এদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আব্দুর রশিদ লিবিয়া ও বেলজিয়ামে রয়েছে। বেশিরভাগ সময় লিবিয়াতে থেকেই ব্যবসাবাণিজ্য করছে। শরিফুল হক ডালিম রয়েছে পাকিস্তানে। এ এম রাশেদ চৌধুরী আছে আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেসে, এন এইচ এমবি নূর চৌধুরী কানাডায় রয়েছে। আরও একজন রিসালদার মোসলেমউদ্দিন ভারতে কারাগারে আটক বলে অনেকের ধারণা। ২০০২ সালে পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মারা গিয়েছে আসামি আজিজ পাশা।