রাজ্যে করোনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, আক্রান্ত ৬৯জন। বাংলায় সাতটা এলাকার মধ্যে করোনা সংক্রমণ সীমাবদ্ধ আছে। এটা আটকাতে হবে। সোমবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বুধবার থেকে কলকাতায় কয়েকটি ফুলবাজার খুলবে। পানচাষিরা বাজারে পান নিয়ে আসতে পারেন। না হলে নষ্ট হবে। বিড়িশ্রমিকরা ঘরে বসে বিড়ি বাঁধতে পারবেন। তা বাজারে নিয়ে এলেও বাধা নেই। তিনি বলেন, লকডাউন উঠবে কিনা জানি না। উঠলেও হুড়োহুড়ি করবেন না কেউ। তাঁর কথা, সরকারি জিনিসপত্র কেবল রেশন দোকান থেকেই পাওয়া যাবে। কোনও দল রেশনের জিনিসপত্র দিতে পারবে না। খাদ্যসাথী কার্ডে ৫ কেজি করে চাল পাবেন সবাই। রাজনৈতিক দলগুলি চাল ডাল নিয়ে অনেক ভুল বোঝাচ্ছে। রাজ্যে কিষাণ মান্ডি চালু থাকবে। পরিযায়ী শ্রমিকদের যেন নিরাপত্তা দেওয়া হয়। তামিলনাড়ু থেকে বেরিয়ে জঙ্গলে লুকানো এ রাজ্যের ৪৯ জন শ্রমিক নিরাপদে আছে। বাইরে থেকে এরাজ্যে এলে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। ব্যাঙ্ক আর পেট্রোলিাম মন্ত্রক মানুষকে টাকা আর গ্যাস দেওয়ার নাম করে লম্বা লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখছে।এদিন নবান্নে গ্লোবাল অ্যাডভাইজরি বোর্ডের প্রথম বৈঠকে ছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্কটল্যান্ড থেকে ভিডিও কনফারেন্সে বলেন, বাজারে মাস্ক বাধ্যতামূলক হোক। বাজারে ঢোকার সময় স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা করা হোক, অন্তত সাবান-জল রাখার ব্যবস্থা করা হোক।