দোলে শুধু যে আপনার দেহেই রং লাগে তা নয়, আপনার বাড়িকেও বইতে হয় রঙের নাছোড় দাগ। বসার ঘর থেকে রান্নাঘর, বাথরুম কিছুই বাদ যায় না রঙের দাগ থেকে। কী করে বাঁচাবেন আপনার বাড়ি?
মেঝের টাইলস ঠিক রাখতে
আবির বা গুঁড়ো রং মেঝেয় পড়লে শুকনো ঝাঁটা দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে সরিয়ে ফেলুন যাতে তা গোটা বাড়িতে ছড়িয়ে না যায়। ভিজে রং লাগলে ব্যবহার করুন বেকিং সোডা আর জল। সাধারণ টাইলসে ছিদ্র থাকে। সেগুলিরই বেশি স্থায়ী দাগের আশঙ্কা থেকে। বিশেষকরে, যেগুলিতে পালিশ করা নেই। তাই আগে থেকেই মেঝেতে বিছিয়ে রাখুন পুরানো খবরের কাগজের পাতা।
দেওয়ালকে কোট করুন
হোলির আগে দেওয়ালে এক পোঁচ অ্যান্টি স্টেন বার্নিশ লাগান। আসবাবপত্র, ঘরের বাইরে বা বাইরের পাঁচিলে ভিজে রং ঠেকাতে তা কাজে দেবে। যিদ রং লেগেও থাকে তবে জলে ব্লিচ গুলে দিয়ে হালকাভাবে মুছে দিন। রং উঠে যাবে।
কাঠ মুছে দিন
আপনি যখন অতিরিক্ত শুকনো বা ভিজে রং কাঠ থেকে তুলতে যান তেব ব্যবহার করুন ভিজে অ্যাক্সিটোন বা হাইড্রোজেন প্যারাক্সাইড। স্পঞ্জে বা ব্রাশে লাগিয়ে হালকাভাবে ঘষুন। কখনওই জোরে ঘষবেন না। তাতে বার্নিশ উঠে যেতে পারে।
কার্পেট পরিষ্কার করুন ভ্যাকুম ক্লিনারে
হোলির পর কার্পেটে ভ্যাকুম দিয়ে পরিষ্কার করলে শুকনো রং সহজেই উঠে যাবে। তবে ভিজে রঙের ক্ষেত্রে কাপড়ের ডিটারজেন্ট আর শ্যাম্পু গরম জলে গুলে পেস্ট বানিয়ে লাগান। বারবার এটা কার্পেটের রং লাগানো অংশে লাগান।
ঢেকে রাখুন কাপড়চোপড়
সোফা, চেয়ার, কুশন. বিছানা পুরানো বেডকভার দিয়ে ঢেকে রাখুন। বা ব্যবহার করতে পারেন প্লাস্টিকের চাদরও। তাতেও কাজ না হেল ব্যবহার করুন ভ্যাকুম ক্লিনার। ভিজে রং তুলতে সবথেকে ভালো সাদা ভিনিগার বা লেবুর মিশ্রণ। রং লেগে যাওয়া অংশে সাদা ভিনিগার দিয়ে ভেজান। তারপর ছিটিয়ে দিন বেকিং সোডা। দশ-পনেরো মিনিট রেখে সুতির কাপড় বা কটন বল দিয়ে আস্তে আস্তে মুছে ফেলুন।
কাচে দাগ তুলতে হলে
বেকিং সোডা জলে মিশিয়ে কাচের জিনিস পরিষ্কার করুন।
হ্য়ান্ডেল বাঁচাতে হলে
আলমারি দরজা, জানলার হাতল রং থেকে বাঁচাতে পেট্রোলিয়াম জেলি বা সর্ষের তেল আগে থেকেই লাগিয়ে রাখুন। রং লাগা হাতল অ্যাক্সিটোন বা হালকা ডিটারজেন্টে উঠে যায়। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রং তুলে নিন। বেশিক্ষণ রং থাকলে পরে তা তুলেত অসুবিধে হবে।