দেশে করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা জারি হল জাপানে। কেবলমাত্র রাজধানী টোকিওতেই হাজারের উপর লোক সংক্রমিত হয়েছেন। জাপানি প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে সোমবার এই ঘোষণা করেছেন। বুধবার থেকে তা কার্যকর হবে। টোকিও ছাড়াও ওসাকা, হুয়োগোতেও জরুরি অবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে। করোনা ঠেকাতে জরুরি অবস্থা জারির জন্য ক্রমেই সরকারের ওপর চাপ বাড়ছিল। আমেরিকা, ইউরোপের থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর গতি কম হলেও চাপ কমেনি। তাই সামাজিক দূরত্ব কড়াভাবে প্রয়োগ করতে জরুরি অবস্থার কথা ভাবা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টোকিওর গভর্নর ইউরিকো কোইকে। মার্চে করোনার পরিপ্রেক্ষিতে জাপানে আইন পরিবর্তন করে জরুরি অবস্থা জারির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। জরুরি অবস্থার ফলে নাগরিকদের ঘরে থাকার এবং ব্যবসা বন্ধ করার ক্ষমতা থাকবে সরকারের। তবে তা লকডাউনের মতো নয়। জরিমানাও থাকবে না। নাগরিকদের সচেতনতার ওপরই তা ছাড়া হয়েছে। জাপানে ৩৫০০ নাগরিক করোনায় সংক্রমিত। মারা গিয়েছেন ৮৫ জন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ব্যবস্থা নিতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। এর আগে কেবল শনি-রবিবারই লোকজনকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছিল। আর্থিক দুর্দশা কাটাতে বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করতে চলেছে জাপান।