রীতিমতো ডাকাতি! এভাবেই আমেরিকাকে দুষেছে জার্মানি। জার্মানির জন্য ফেসমাস্ক আসছিল চিন থেকে। মাঝপথে ব্যাভ্কক বিমানবন্দরেই তা হাতিয়ে নিয়েছে আমেরিকা। বার্লিনের কর্তার বলছেন, এটা এ যুগের দস্যুবৃত্তি। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় প্রতিরোধকের চাহিদা নিয়ে শুরু হয়েছে বিভিন্ন দেশের মধ্যে।
বার্লিনের মন্ত্রী আন্দ্রেয়াস গেইসেল জানিয়েছেন, ২ লক্ষ এফএফপি২ ফেসমাস্ক বার্লিন পুলিশের জন্য আনা হচ্ছিল। এগুলি বানিয়েছে চিনের এক মার্কিন কোম্পানি। সেগুলি ব্যাঙ্কক এয়ারপোর্টে আটক করা হয়। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, আমেরিকার রফতানি বন্ধের নির্দেশের জন্যই এটা করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন মার্কিন কোম্পানিগুলিকে জোরকদমে মাস্ক তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছে।
জার্মানির সংবাদসংস্থা জানাচ্ছে, জার্মানির জন্য পাঠানো ৩এম কোম্পানির গোটা মালই আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, মাস্ক নিয়ে তারা করেছে, তা নিয়ে তিনি ৩এমকে দেখে নেবেন। জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, যা হয়েছে, তা ভালো নয়।
আমেরিকার এই লুটের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে ফ্রান্সও। তারা অভিযোগ করেছে, তাদের অর্ডার দেওয়া চিনা মাস্ক আনতে বাধা তৈরি করেছে আমেরিকা। আমেরিকার বক্তব্য, এইসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও অভিযোগ করেছেন, তাঁর দেশের জন্য আনা মাস্ক অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।