করোনার ধাক্কায় দার্জিলিং চায়ের ফার্স্ট ফ্লাশ পুরোপুরি মার খেয়েছে। চা শিল্প বিপুল ক্ষতির মুখে দাঁড়িয়ে। এই অবস্থায় কেন্দ্র চা বাগানগুলি খোলার নির্দেশ দিয়েছে। সোমবার গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার ট্রেড ইউনিয়ন দার্জিলিং তরাই ডুয়ার্স প্ল্যাটেশন লেবার ইউনিয়ন (বিনয় গোষ্ঠী) তার বিরোধিতা করেছে। তাদের বক্তব্য, চা শ্রমিকরা কেউ বাগানে কাজ করতে যাবেন না। কারণ সেখানেও করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে। দেশে দুরকম আইন থাকতে পারে না। চা বাগানে উপয়ুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। শ্রমিকদের মাস্ক, স্যানিটাইজার দেওয়া হয়নি। তাই তারা বাগান খুলতে দেবে না। অন্যদিকে, দার্জিলিং টি অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, যে ৮০ লাখ কেজি চা পাহাড়ে উৎপাদন হয়, তার ২০ শতাংশই ফার্স্ট ফ্লাশ। এই চা বিদেশে রফতানি হয়। মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত চলে ফার্স্ট ফ্লাশের চাষের মরসুম। তাই কেন্দ্রের কাছে তাদের আবেদন, আর্থিক ক্ষতির কথা ভেবে চা চাষকে কৃষিকাজের আওতায় এনে লকডাউনে ছাড় দেওয়া হোক। একেই জনমুক্তি মোর্টার আন্দোলনের জেরে ১০৪ দিন চা উৎপাদন বন্ধ ছিল। তারপর এই লকডাউনে চরম ক্ষতি হবে চা বাগানে। ইতিমধ্যেই ১৫০০ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে। সবথেকে বেশি ক্ষতি হবে দার্জিলিংয়ের।