আর ঠাঁই নেই। মর্গ আর লাশ রাখার কোনও উপায় নেই। সব উপচে পড়ছে। তাই খাবারের বাজারে একটা বড় হল দখলে নিয়ে নিয়েছে প্যারিসের পুলিশ। পুলিশ প্রধান দিদিয়ের লাল্লেমেন্ত জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণের প্রেক্ষিতে লাশ রাখার মর্গগুলির চাপ কমাতে হবে। আগামী বহু সপ্তাহ এই চাপ থাকবে।
দক্ষিণ প্যারিসের ওই বাজারের ভিতরেই দুটি ঘর আলাদা রাখা হচ্ছে মৃতের পরিবারের জন্য। কবরস্থানে কফিন নিয়ে যাওয়ার আগে সেখানেই জড়ো হবেন তাঁর আত্মীয়স্বজন। কুড়িজনের বেশি কোনওমতেই থাকতে পারবেন না।
রুঙ্গিস মার্কেট প্যারিসের উপকণ্ঠে ২৪ হেক্টর জমির উপরে তৈরি। এখানে প্রথম কফিনটি এসেছে শুক্রবারই। সোমবার থেকে পরিজনরা শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। এখান থেকেই রাজধানীর পাইকার আর হোটেল মালিকরা মালপত্র কেনেন। লকডাউনের শুরুতেই বাজারের বেশিরভাগই বন্ধ। শুধু তাজা ফল আর সবজির হোম ডেলিভারি চালু রয়েছে কোথাও কোথাও।
ফ্রান্সে যে ৪ হাজার লোকের মৃত্যু হয়েছে তার এক-তৃতীয়াংশই প্যারিসে। আক্রান্তের প্রচণ্ড চাপে প্যারিসের হাসপাতাল থেকে রোগীদের সরানো হচ্ছে বাইরের হাসপাতালে। বেড খালি করার তাড়ায় রয়েছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। ইনন্টেসিভ কেয়ার প্যারিসে বেড আছে ৫ হাজার। এখনই সঙ্কটজনক রোগীর সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়িয়েছে।